1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

ফরিদপুরে হঠাৎ করেই দাম বেড়েছে পিয়াজের

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ১১০১ বার দেখা হয়েছে
 ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
পিয়াজের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ফরিদপুরে হঠাৎ করেই অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে পিয়াজের দাম। তিনদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। পিয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত তিনদিন আগেও ফরিদপুরের বিভিন্ন খুচরা বাজারে পিয়াজ বিক্রি হতো প্রতি কেজি ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়। আর পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হতো ২৫ থেকে ২৮ টাকায়। গত শুক্রবার থেকে ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারে পিয়াজের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকে। রবিবার জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে প্রতি কেজি পিয়াজ ২০ টাকা করে বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬২ টাকায়। হঠাৎ করে কেজিতে ২০/২২ টাকা বেড়ে যাওযার তেমন কোনো কারণ জানাতে পারেনি খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, ভারত থেকে পিয়াজ আমদানি বন্ধ থাকা দাম বেড়েছে। রবিবার দুপুরে শহরের চকবাজার সাপ্তাহিক হাট ঘুরে দেখা গেছে, গত হাটের তুলনায় বাজারে পিয়াজের আমদানি কম। গত সপ্তাহে যে পিয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৮/৪০ টাকায়, সে পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০/৬২ টাকায়। খুচরা ব্যবসায়ী আলী শেখ জানান, তিনদিন ধরে পিয়াজের দাম বাড়তির দিকে। আড়ত থেকে পাইকারিভাবে গত কয়েকদিন আগে যে পিয়াজ কিনেছেন প্রতিমণ ১১০০ থেকে ১১২০ টাকা দরে। সেই একই পিয়াজ কিনতে হয়েছে প্রতিমণ ১৬০০ টাকা করে। তাছাড়া পরিবহন খরচ ও ঘাটতি পূরণে ৬০ টাকার কমে বিক্রি করলে তাদের কোনো লাভ হবে না। হাজী শরিয়তুল্লাহ বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী জিন্নাত হোসেন জানান, হঠাৎ করে পিয়াজ বাজারের অস্থিরতা কেন হয়েছে, তা বলতে পারছি না। পিয়াজের জন্য বিখ্যাত জেলার সালথা ও নগরকান্দা উপজেলা থেকে পিয়াজ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে বেশি দামে তারা বিক্রি করছেন। তাছাড়া অনেক চাষি পিয়াজ মজুদ রাখার কারণেই হয়তো পিয়াজ বাজারে অস্থিরিতা বেড়েছে। পিয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। তাদের দাবি, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পিয়াজ মজুদ রেখে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা লাভের আশা করছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের প্রতি বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান ক্রেতারা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০