1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

কুমিল্লায় পোস্টার ছেড়ায় স্কুল ছাত্রকে মারধর, জরিমানা আদায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬১৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীতে সড়কের পাশে লাগানো নির্বাচনী পোস্টার ছেড়াকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা মডার্ন স্কুলে পড়ুয়া দুই ছাত্রকে মারধর, হুমকি ধমকি ও তাদের কাছ থেকে জরিমানা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আতঙ্কিত দুই ছাত্র বাসা থেকে বের হওয়া সহ স্কুলে যাওয়া বন্ধ রেখেছে। ভূক্তভোগী দুজন শিক্ষার্থী সম্পর্কে খালাতো ভাই এবং তারা দুজনই বাবা হারা। তাদের একজন মৃত জাকির হোসেন এর ছেলে সামিউল মোত্তাকিম মাহিন অষ্টম শ্রেণিতে এবং
আমড়াতলী স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ফজলুল হকের ছেলে এনশান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আদিল নবম শ্রেণিতে মডার্ণ স্কুলে পড়েন। তারা রেইসকোর্স ধানমন্ডি সড়কের দারুল খাদেম নামের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, সপ্তাহ খানেক আগে স্কুলে যাওয়ার সময় দুষ্টমির ছলে সড়কের পাশে সাটানো একটি পোস্টার ছেড়েন সামিউল মোত্তাকিম মাহিন। ওই পোস্টারটি ছিল সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল আলমের। গত রোববার স্কুল থেকে ফেরার পথে এনশান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আদিলের পথ রোধ করে তাকে মারধর ও নির্যাতন করেন ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল আলমসহ আরো দুজন। পোস্টার ছেড়ার কথা অস্বীকার করে আদিল সামিউল মোত্তাকিম মাহিনের নাম বলে দেয়। আদিলকে আটকে রেখে সাথে সাথে মনিরুল আলম ও তার সহযোগিরা দারুল খাদেম বাসার তৃতীয় তলার সামিউল মোত্তাকিম মাহিনের ভাড়া বাসায় এসে তাকে টানা-হেছড়া সহ হুমকি ধমকি দিতে থাকেন। এমন সময় মাহিনের নানা দুহাত জোর করে মনিরুলের কাছে ক্ষমা চান এবং যে বিচার-ই হউক মাথা পেতে নেয়ার কথা বলেন। তখন মনিরুল ছয়টি পোস্টার ছেড়ার অভিযোগ করে তাদের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

শিক্ষার্থী সামিউল মোত্তাকিম মাহিন জানান, স্কুলে যাওয়ার সময় এমনিতেই দুষ্টমি করে আমি একটি পোস্টার ছিড়েছি। আমি বুঝতে পারিনি। সেটা সিসি ক্যামেরায় দেখে মনিরুল আলম আমার ভাইকে রাস্তায় ধরে মেরেছে এবং আমাকে ধরে নিতে বাসায় এসে টানাটানি করেছে। পড়ে নানা ভাই টাকা দেয়ার পর চলে গেছে এবং আদিল ভাইকে ছেড়ে দিয়েছে। আমি ভয়ে আজকে স্কুলে যাইনি।

সামিউল মোত্তাকিম মাহিন ও এনশান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আদিলের নানা মো: শাহনেওয়াজ বলেন, আমার দুটি নাতিই এতিম। তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমি সব ছেড়ে তাদের সাথে থাকি। আমাদের গ্রামের বাড়ি চান্দিনাতে। তিন বছর আগে মাহিনের বাবা লিভার সিরোসিসে মারা গেছেন। গত বছর আদিলের বাবা করোনায় মারা গেছে। আমার নাতি বাচ্চা মানুষ স্কুলে যাওয়ার সময় না বুঝে পোস্টার ছিরেছে। সেজন্য আমার বড় নাতি আদিলকে মেরে আটকে রেখে আবার ছোট নাতি মাহিনকে ধরে নেয়ার জন্য বাসায় এসেছিল মনিরুল আলম। আমি রোজা রেখে হাত জোর করে ক্ষমা চেয়ে নাতিকে রক্ষা করেছি। এবং তাদের কথা মতো তিন হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে রক্ষা পেয়েছি। আমরা অসহায়!
স্কুল ছাত্র আদিল জানান, স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে মনিরুল আমাকে মারধর করে আটকে রাখেন। পরে বাসায় এসে মাহিনকে টানাহেচরা করেন এবং টাকা পেয়ে আমাকে ছেড়ে দেন।
আদিলের মা ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমি বাসায় ছিলাম না। আমার ছেলেকে মেরেছ এবং তিন হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে গেছে। আমার ভয়ে টাকা দিয়ে দিছি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।
ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল আলম সাংবাদিকদের জানান, দুই শিক্ষার্থী আমার পোস্টার ও ফেস্টুন ছিড়েছে। আমার কাছে সিসি ক্যামেরার ফোটেজ আছে। এজন্য ফেস্টুনের মূল্য বাবদ জরিমানা নিয়েছি,কোন প্রকার মারধর করিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০