1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

গাইবান্ধায় আওয়ামীলীগ নেতার ছেলে পাভেল হত্যার রহস্য উদঘাটন: আটক ৩ জন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৭৩ বার দেখা হয়েছে
  • আশরাফুল ইসলাম গাইবান্ধা::

গাইবান্ধা সদরে বাড়ি থেকে ডেকে এনে “দা” দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ গুম করতে সেপটিক ট্যাংকে ফেলা হয় বল্লমঝাড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শফিকুর রহমান পাভেলের (৩৭) এর মরদেহ। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা।

এঘটনায় জড়িত আটককৃতরা হলেন, প্রতিবেশী মন্টু মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান হাবি (৪৪), জবিউল ইসলামের ছেলে সুজন মিয়া (৩৬) এবং শাহ আলমের স্ত্রী অমেলা বেগম (৪২)।

১৩ মার্চ বুধবার দুপুরে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) ইবনে মিজান জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে, নিখোঁজের তিনদিন পর গতকাল (১২ মার্চ) সকালে ওই গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে পাভেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হত্যার শিকার শফিকুর রহমান পাভেল গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুস সামাদ আকন্দের ছেলে।

এ প্রেস কনফারেন্সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোঃ ইবনে মিজান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। পলাতক আসামি শাহীন গত শনিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বল্লমঝাড় ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসা থেকে পাভেলকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র “দা ” দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে পাভেলকে হত্যা করে। পরে পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম করে রাখে। ইবনে মিজান আরো বলেন, নিখোঁজের পরদিন গেল ১০ মার্চ পাভেলের বড় ভাই বেলাল ইউসুব বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মোবাইলে কথোপকথনের সূত্র ধরে ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামিদের জিজ্ঞাসা বাদের জন্য আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজের তিনদিন পর সেফটি ট্যাংঙ্কির ভিতর থেকে পাভেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা আসামিরা স্বীকার করেছেন। এঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় পাভেলের বড় ভাই গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এ প্রেস কনফারেন্স কালে উপস্থিত ছিলেন – গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মো. ইব্রাহিম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাসুদ রানা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত মো. সেরাজুল হক, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. তারিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০