1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জয়ভেরী পত্রিকার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল হকের রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত তাজমীনকে ধর্ষণ-হত্যার পর মসজিদের সামনের পুকুরে গোসল করে সুমন: পুলিশ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যা, জীবন বাঁচাতে ধানক্ষেতে দৌড়েছিল তাজমিন প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ডিএমডি হলেন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম Coronavirus disease 2019 ফুটবল খেলতে গিয়ে পায়ে আঘাত:ব্যথায় অস্থির: মা ও ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যা, ঘাতক আটক দুই দফা জানাজা শেষে অপ্রতিমের দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ, একদিন পর মিলল মরদেহ কুমিল্লায় বোন-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা, মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

ঘর পাচ্ছেন ৪০ বছর কবরস্থানে বসবাস করা বৃদ্ধা মালেছা খাতুন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩
  • ৬৮৫ বার দেখা হয়েছে

নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর সদর উপজেলার বাগহাটার টেকপাড়া এলাকায় কবরস্থানের ভেতরে একটি খুপড়ি ঘর করে থাকা বৃদ্ধা মালেছা খাতুন প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর পাচ্ছেন। তিনি বিগত ৪০ বছর যাবৎ কবরস্থানে বাস করেছেন বলে তিনি জানান। তিনি সম্প্রতি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে ঘরের আবেদন করে এবং প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরও বরাদ্ধ পান তিনি।
মালেছা খাতুন বলেন, কখনও ভাবিনি কপালে জুটবে বসবাসের জন্য একটু জমি ও ঘর। করস্থানে বানানো খুপড়িতেই সংসার করেন এবং দুই সন্তান জন্মদেন তিনি। আনন্দে অশ্রুসিক্ত হয়ে তিনি আরো বলেন,‘ছোটবেলা থেকেই আমি ও আমার পরিবার ভূমিহীন। ৪০ বছর ধরে নরসিংদী সদর উপজেলার বাগহাটা এলাকায় কবরস্থানের জায়গায় একটি ছুট্ট খুপড়ি তৈরী করে বসবাস করে আসছি। আমার বাবার কবরও হয়েছে এখানে। জীবনেও ভাবিনি জমিসহ থাকার পাকা ঘর পাবো। এতো বছর আমার দিকে কেউ তাকায়নি। প্রধানমন্ত্রী আমার দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন। এ উপহার পেয়ে আমি খুবই খুশি। আমি যতদিন বেচেঁ থাকবো প্রধানমন্ত্রীসহ তার পরিবারের জন্য দোয়া করে যাবে।
শুধু মালেছা বেগম নয়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের চতুর্থ ধাপে নরসিংদীর ৬ উপজেলায় ৩৪টি স্পটে ৪৫৯ জন পাচ্ছেন জায়গা ও নতুন ঘর। ভূমিহীন ও গৃহহীন এসব মানুষের স্বপ্ন পূরণ করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মেহেদী মোর্শেদ বলেন, এরই মধ্যে আশ্রয় পাওয়া পরিবারগুলোর জীবন মানে অনেকটা পরিবর্তন এসেছে। কেউবা করছেন হাঁস-মুরগি, ছাগল ও গরু লালন-পালন। সন্তানদের পাঠাচ্ছেন স্কুলে। সংসারে এসেছে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০