1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

ঘর পাচ্ছেন ৪০ বছর কবরস্থানে বসবাস করা বৃদ্ধা মালেছা খাতুন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩
  • ৬৬০ বার দেখা হয়েছে

নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর সদর উপজেলার বাগহাটার টেকপাড়া এলাকায় কবরস্থানের ভেতরে একটি খুপড়ি ঘর করে থাকা বৃদ্ধা মালেছা খাতুন প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর পাচ্ছেন। তিনি বিগত ৪০ বছর যাবৎ কবরস্থানে বাস করেছেন বলে তিনি জানান। তিনি সম্প্রতি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে ঘরের আবেদন করে এবং প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরও বরাদ্ধ পান তিনি।
মালেছা খাতুন বলেন, কখনও ভাবিনি কপালে জুটবে বসবাসের জন্য একটু জমি ও ঘর। করস্থানে বানানো খুপড়িতেই সংসার করেন এবং দুই সন্তান জন্মদেন তিনি। আনন্দে অশ্রুসিক্ত হয়ে তিনি আরো বলেন,‘ছোটবেলা থেকেই আমি ও আমার পরিবার ভূমিহীন। ৪০ বছর ধরে নরসিংদী সদর উপজেলার বাগহাটা এলাকায় কবরস্থানের জায়গায় একটি ছুট্ট খুপড়ি তৈরী করে বসবাস করে আসছি। আমার বাবার কবরও হয়েছে এখানে। জীবনেও ভাবিনি জমিসহ থাকার পাকা ঘর পাবো। এতো বছর আমার দিকে কেউ তাকায়নি। প্রধানমন্ত্রী আমার দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন। এ উপহার পেয়ে আমি খুবই খুশি। আমি যতদিন বেচেঁ থাকবো প্রধানমন্ত্রীসহ তার পরিবারের জন্য দোয়া করে যাবে।
শুধু মালেছা বেগম নয়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের চতুর্থ ধাপে নরসিংদীর ৬ উপজেলায় ৩৪টি স্পটে ৪৫৯ জন পাচ্ছেন জায়গা ও নতুন ঘর। ভূমিহীন ও গৃহহীন এসব মানুষের স্বপ্ন পূরণ করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মেহেদী মোর্শেদ বলেন, এরই মধ্যে আশ্রয় পাওয়া পরিবারগুলোর জীবন মানে অনেকটা পরিবর্তন এসেছে। কেউবা করছেন হাঁস-মুরগি, ছাগল ও গরু লালন-পালন। সন্তানদের পাঠাচ্ছেন স্কুলে। সংসারে এসেছে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০