1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

খুলনার আরও ১৮৬ অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৪৭ বার দেখা হয়েছে

এইচ এম সাগর (হিরামন) খুলনা ব‍্যুরো-

খুলনা বিভাগের আরও ১৮৬টি অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ২৯ আগস্ট‌ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪ দিনের অভিযানে এগুলো বন্ধ করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহমেদুল কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপের অভিযানে সারাদেশের ৮৫০টি অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করে দিয়েছে সংস্থাটি। অধিদপ্তর বলেছে, এখন থেকে সাইনবোর্ডে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নম্বর ও নিবন্ধনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ উল্লেখ করতে হবে। শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

সর্বশেষ চার দিনে সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এই বিভাগে মোট ১৯৪টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে খুলনা বিভাগে। সিলেট বিভাগে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে ১৭টি। এই বিভাগেই সবচেয়ে কম প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয় গত ২৯ আগস্ট। এর পর থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ৮৫০টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে রাজধানীর আছে ২০টি প্রতিষ্ঠান।
২৬ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারা দেশের অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। ২৮ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়, তিন মাসে তারা ১ হাজার ৬৪১টি অবৈধ বেসরকারি, হাসপাতাল, ক্লিনিক, রোগনির্ণয় কেন্দ্র ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করে দেয়। ওই দিন বলা হয়, আরও চার দিন অভিযান চলবে।
এদিকে ১ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরে পাঠানো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) পাঠানো একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের সাইনবোর্ডে নিবন্ধন নম্বর এবং নিবন্ধনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ উল্লেখ করতে হবে। উল্লেখ না থাকলে সেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহমেদুল কবীর বলেন, ‘প্রতারণা বন্ধে আমরা নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছি। অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান ও সাইনবোর্ডে লাইসেন্স নম্বর লেখা বাধ্যতামূলক করা সেই উদ্যোগেরই অংশ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০