1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে কুপিবাতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২
  • ৬৩৮ বার দেখা হয়েছে

বিকাশ রায় বাবুল,নীলফামারী

এমন এক সময় ছিল যখন রাতের আঁধার কে দুর করার একমাত্র অবলম্বন ছিল কুপি বাতি। যার ব্যবহার ছিল বাসা বাড়ী দোকান পাট সহ সর্বোত্রই। কিন্তু কালের বিবর্তনে ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে বহুল ব্যবহৃত এই কুপিবাতি। গ্রামীন সমাজে নানা ধরনের কুপি বাতির প্রচলন ছিল। কোনটা ছিল মাটির, কোনটা কাঁচের,কোনটা বা পিতলের এমনকি কোনটা টিনের। আকারে ও প্রকারে এটি বড় ও ছোট হত। দাম ছিল প্রায় ৫-২০ টাকা পর্যন্ত। বড়গুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠান এমনকি দোকানপাট এবং ছোটগুলো ব্যবহৃত হতো বাসাবাড়িতে। এটি জ্বালানোর জন্য ব্যবহৃত হতো কেরোসিন তেল। আর আলোর তারতম্য ঘটানোর জন্য লাগত কাপরের ছোট- বড় টুকরা বা পাটের আঁশ। যাকে শৈল্তা বলা হতো।
এক সময় দেখা যেত গ্রামের মানুষজন হাটে যাওয়ার সময় ব্যাগের পাশাপাশি একটি করে বোতল নিয়ে যেত যেখানে কুপি বাতির জন্য ব্যবহৃত কেরোসিন তেল নিয়ে আসত।
আর গ্রামীন বধুরা রাতে জ্বালানোর জন্য এটিকে পরিষ্কার – পরিচ্ছন্ন ও ঠিকঠাক করে রাখত।
অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলের বাজারে দেখা যেত দোকানিরা এটিকে একটি খুটির সাথে বেঁধে দোকান করত। গ্রামীন জনপদের মানুষের অন্ধকার দুর করার একমাত্র অবলম্বন ছিল এটি।
কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিদ্যুতের আবিস্কার ও ইলেকট্রিক অনেক উপকরণ (টর্চলাইট) এলইডি বাল্ব,সোলার প্যানেল)এর ফলে হারিয়ে গেছে বহুল ব্যবহৃত কুপিবাতি। যা সমাজের মানুষের কাছে বর্তমানে শুধুই স্মৃতি।

এ বিষয়ে কথা হলে লেবু চন্দ্র রায় (পোস্ট মাস্টার, পঞ্চগড়) বলেন,আমিও কুপিবাতি দিয়ে পড়াশোনা করেছিলাম। এটির কথা মনে হলে আমার আগেরকার কথা মনে পড়ে। এটির সাথে আমার জীবনের অনেক স্মৃতি জড়িত। তবে অদুর ভবিষ্যতে এটিকে দেখতে জাদুঘরে যেতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০