1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেবীদ্বারে ৭ মাদক ব্যবসায়ী আটক: একজনকে ১ বছরের কারাদণ্ড বিশ্বময় ইসলাম প্রচারের গুরুত্ব- ড. মুহাম্মদ নাছিরউদ্দীন সোহেল The Founding of YouTube A Short History ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসির ফল সম্ভাব্য সময় জানালো বোর্ড হাসনাত আব্দুল্লাহ কে সংযত হয়ে বক্তব্য প্রদানের আহবান: দেবীদ্বার বিএনপির দেবীদ্বার উপজেলা ও পৌর বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন ছাত্র দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন: শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গ্রেফতার এইচএসসির প্রথম দিনে কুমিল্লা বোর্ডে অনুপস্থিত ১৭৯৫ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ১ প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে প্রেমিক নিহত, কিশোরী আটক

লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় কারাদণ্ড-১০ বছর!

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২
  • ৫৮৮ বার দেখা হয়েছে

অ আ আবীর আকাশ: লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাংবাদিক শাহ মনির পলাশকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শাহ মনির পলাশ (২৫) সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মাছিমনগর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি সাংবাদিকতায় জড়িত ছিলেন। তরুণ এই সাংবাদিক ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপবাণী পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। তখন তিনি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের বিএ (ডিগ্রি) চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলপ্রার্থী ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আবু ইউসুফ ও আবু ছায়েদ দুই সহোদর। তারা মাছিমনগর গ্রামের ফকির বাড়ির আখতারুজ্জামানের ছেলে। সম্পর্কে পলাশের চাচাতো ভাই।

এদিকে আদালতের রায়ে অসন্তুষ্ট পলাশের পরিবারের সদস্যরা। তারা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানান।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে পলাশদের বাগানের গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টা করে তার দুই জেঠাতো ভাই আবু ইউছুফ ও আবু ছায়েদ। এ সময় তার বাবা মনিরুল ইসলাম অভিযুক্তদের বাধা দিতে গেলে তাদের সঙ্গে বাগ-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এসময় তার বাবাকে ইট নিক্ষেপ করে চাচাতো ভাইয়েরা। একপর্যায়ে তিনি ইটের আঘাতে মাটিতে পড়ে যান। এ ঘটনা দেখে দৌড়ে গিয়ে বাবাকে মাটি থেকে তুলছিল পলাশ। এসময় হঠাৎ পেছন থেকে লাঠি দিয়ে পলাশের মাথায় আঘাত করা হয়। আঘাতে গুরুতর আহত হয় পলাশ।

ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করে। ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি রক্ত বমি করলে তাকে নোয়াখালী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকেও চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে তার মৃত্যু হয়।

ওইদিন সন্ধ্যায় নিহত পলাশের বাবা মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর থানায় আবু ইউসুফ, আবু ছায়েদ ও ফয়জুন্নেছাকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় আবু ইউসুফ কারাগারে রয়েছেন। অপর আসামি আবু ছায়েদ জামিনে ছিলেন।

একই বছরের ৭ অক্টোবর সদর থানা পুলিশ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত আবু ইউসুফ ও আবু ছায়েদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার ৩য় আসামি ফয়জুন্নেছার বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন।

আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন ও ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আজ এ রায় দেন।

আদালতে রায় ঘোষণার পর সাংবাদিক পলাশের বাবা মনিরুল ইসলাম বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হতে পরিনি। আমার ছেলেকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আর হত্যাকারীদের ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

পলাশের ভাবি শিল্পী আক্তার বলেন, আমরা দীর্ঘ ৫ বছর আদালতের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। কিন্তু রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি। মামলার ২য় আসামি আবু ছায়েদ জামিনে বের হয়ে আমাদের অর্থ ও জমির লোভ দেখিয়েছে মামলাটি মীমাংসা করার জন্য। কিন্তু আমরা রাজি হইনি। তাই বাড়িতে আমাদের যথেষ্ট অত্যাচার করেছে।

রায়ের প্রতিক্রিয়া এবং বাদীর অসন্তুষ্টির বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বলেন, আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০