1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

কবি ফখরুল হুদা হেলালের জানাযায় হাজারো মানুষের ঢল

মোতাব্বির হোসেন কাজল
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭৩২ বার দেখা হয়েছে

নেকবর হোসেন কুমিল্লা প্রতিনিধি
কবি ফখরুল হুদা হেলালের জানাযায় হাজারো মানুষের ঢল
কবি, সংগঠক এবং নাট্যকর্মী ফখরুল হুদা হেলাল শুক্রবার সকাল ৭ টায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৭১ বছর।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর তার জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সদস আসনের সংসদ সদস্য বাহাউদ্দীন বাহার এমপি। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন আজফল খান কন্যা আঞ্জুম সুলতানা সীমা এমপি। সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, ম্যাটসের এর পরিচালক ডাঃ মো আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোটার গাজিউল হক সোহাগ, চ্যানেল আইয়ের কুমিল্লা প্রতিনিধি আবুল কাশেম হৃদয়, সাংবাদিক মাহবুবুল আলম বাবু প্রূখ উপস্থিত ছিলেন। কুমিল্লার সািহত্যাঙ্গনে পরিচিত মুখ।
কবি ফখরুল হুদা হেলাল ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন কুমিল্লার সভ্রান্ত পরিবারে। তাঁর ছোট ভাই বদরুল হুদা জেনু ক্রীড়া সংগঠক ও সংস্কৃতিকর্মী। তিনি “সচেতন নাগরিক কমিটি” (সনাক) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। তিন ভাই-ই আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি অবিচল শ্রদ্ধাশীল। তিনি শিল্পকলা সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেন।
কবি ফখরুল হুদা হেলালের উত্থান মূলত মঞ্চনাটক বা থিয়েটারের অভিনয়শিল্পী হিসেবে সেই উন্মাতাল ১৯৬৯ সালে। যখন আমি মাত্র দশ। অসহযোগ আন্দোলনের সময় তখন। নগর মিলনায়তনের রঙ্গমঞ্চে “পাহাড়িফুল” নাটকে এদেশের প্রতিষ্ঠিত অভিনয় শিল্পীদ্বয় ব্যক্তিজীবনে দুবোন আনোয়ারা ও নার্গিসের সঙ্গে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছিলেন হেলালভাই।
এমনকি, নিজেও শিশু-কিশোরদের জন্য “মণিমালা” নামে নাটক লিখে এবং নির্দেশনা দিয়ে তুমুল আলোড়ন তুলেছিলেন সেই সময়। পরবর্তীতে “ত্রিধারা” শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, “রেঁনেসা নাট্যগোষ্ঠী” এবং “প্রগতি নাট্য সংঘে”র উপদেষ্টাও ছিলেন। ১৯৭৭ সালেই তিনি “প্রতিধ্বনি” নাট্য সংগঠনের নাটক “অভিশপ্ত প্রেম” নাটকে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ২০০০ সালে পেলেন কুমিল্লার সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত “কুমিল্লার সাংস্কৃতিক/নাট্য অঙ্গনের গুণীজন সংবর্ধনা ও নাট্যোৎসব-২০০০” এর সম্মাননা স্মারক পদক ও সদনপত্র।

কাব্যজগতে তাঁর আগমন ঘটে স্বাধীনতার পরপর ১৯৭২ সালে। ১৯৭৪ সালের মে মাসে তিনি অসামান্য একটি কাজ সম্পাদন করেন কুমিল্লায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কবি সম্মেলন এর আয়োজন করে। তখন আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন বিশিষ্ট কবিবৃন্দ যথাক্রমে শহীদ কাদরী, রফিক আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ, মুহম্মদ নূরুল হুদা, মহাদেব সাহা, আবু করিম ও আসাদ চৌধুরী। কবি আবুল হাসানের আসার কথা ছিল আসতে পারেননি। আর এসেছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মুহম্মদ জাহাঙ্গীর এবং বিদেশ থেকে বিশিষ্ট লেখক মৈত্রেয়ী রায়–যিনি বিখ্যাত মননশীল সাহিত্য সাময়িকী “জিজ্ঞাসা”র সম্পাদক ও গবেষক শিবনারায়ণ রায়ের কন্যা। ভাবাই যায় না কী অসাধ্য সাধন করেছেন হেলালভাই ওই সালেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত “সে আমি তুমি” সাহিত্য-সংস্কৃতি সংগঠনের মাধ্যমে।

পরবর্তীতে “ত্রিধারা” শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, “রেঁনেসা নাট্যগোষ্ঠী” এবং “প্রগতি নাট্য সংঘে”র উপদেষ্টাও ছিলেন। ১৯৭৭ সালেই তিনি “প্রতিধ্বনি” নাট্য সংগঠনের নাটক “অভিশপ্ত প্রেম” নাটকে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেছিলেন। “কুমিল্লার সাংস্কৃতিক/নাট্য অঙ্গনের গুণীজন সংবর্ধনা ও নাট্যোৎসব-২০০০” এর সম্মাননা স্মারক পদক ও সদনপত্র।

কাব্যজগতে তাঁর আগমন ঘটে স্বাধীনতার পরপর ১৯৭২ সালে। ১৯৭৪ সালের মে মাসে তিনি অসামান্য একটি কাজ সম্পাদন করেন কুমিল্লায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কবি সম্মেলন এর আয়োজন করে। তখন আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন বিশিষ্ট কবিবৃন্দ যথাক্রমে শহীদ কাদরী, রফিক আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ, মুহম্মদ নূরুল হুদা, মহাদেব সাহা, আবু করিম ও আসাদ চৌধুরীর কবওর সাথে সখ্যতা ছিল।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত “সে আমি তুমি” সাহিত্য-সংস্কৃতি সংগঠনের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। এই সংগঠনটি বিপুল সাড়া জাগিয়েছিল এবং এর সুনাম কুমিল্লা ছাড়িয়ে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ প্রভৃতি শহরেও ছড়িয়ে পড়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০