1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে রং তুলির শেষ আঁচর

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৬৯১ বার দেখা হয়েছে
  • মিরু হাসান,স্টাফ রিপোর্টার

সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসছে। এ উৎসবে প্রধান উপজীব্য প্রতিমা। সবচেয়ে বড় উৎসবকে ঘিরে বগুড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে চলছে প্রতিমা তৈরি শেষে তুলির আঁচরে রং করার কাজ। । দেবী দুর্গা, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মীকে আকৃতি দিতে ঘাম ঝরাচ্ছেন তারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বগুড়া শহরের উত্তর চেলোপাড়া নব-বৃন্দাবন হরিবাসর মন্দিরে চলছে রাত-দিন প্রতিমা তৈরির কাজ। শিল্পী আর সহযোগীরা মিলে বানাচ্ছেন দুর্গাপূজার প্রতিমা। মাটি আর খড় পানি দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে এসব প্রতিমা। এতে দেওয়া হচ্ছে রং। এক সেট প্রতিমার জন্য দেবী দুর্গা ও তার চার সন্তান- সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মীকে বানানো হয়ে থাকে। পাশাপাশি থাকে অসুর, সিংহ, হাঁস, প্যাঁচা ও সাপ। নব-বৃন্দাবন হরিবাসর মন্দিরে এবার বানানো হচ্ছে ২০টি দুর্গাপূজার সেট। সেখানে কাজ করছেন প্রতিমা শিল্পী কাজল প্রামানিক।

প্রতিমা শিল্পী কাজল প্রামানিক বলেন, ‘এ বছর ২০টি কাজের অর্ডার পেয়েছি। বেশিরভাগ বগুড়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের। জেলার বাইরে থেকে তিনটি অর্ডার পেয়েছি। পূজার জন্য সাধারণত তিন মাস আগে থেকে কাজ শুরু করতে হয়। আমার প্রতিমার কাজ প্রায় শেষ, এখন শুধু রঙ দিয়ে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পালা। ’’

কথা হয় আরোও কয়েকজন প্রতিমা শিল্পীর সাথে। তারা জানান, ‘বর্তমান মাটি, রঙ, বাঁশের দাম বেড়ে গেছে। আগে দুর্গাপূজার এক সেট প্রতিমা তৈরি করতে ২০থেকে ৫০হাজার টাকা খরচ হতো। এখন তা বেড়ে ৭০হাজার টাকার বেশি হয়ে গেছে। পরিশ্রম অনুযায়ী আমাদের পারিশ্রমিক মিলছে না। এই পেশায় কাজ করে পূজার উৎসবের সময়ই শুধু আনন্দ। সারাবছর তেমন কাজ থাকে না। বাকি দিন কষ্ট করে চলতে হয়। তরুণরা আসতে চান না এ পেশায়। আমরা যারা আগে থেকে শিখেছি তারাই প্রতিমা বানাচ্ছি।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বগুড়ায় এবার সনাতন ধর্মাবল্বী ৭০৭টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। সারিয়াকান্দি উপজেলায় ২৩ টি, সোনাতলায় ৫৫ টি, শিবগঞ্জে ৬১ টি, আদমদীঘিতে ৬৬ টি, দুপচাঁচিয়াতে ৪২ টি , কাহালুতে ৩৭ টি, নন্দীগ্রামে ৪৬ টি, শেরপুরে ৯৪ টি, ধুনটে ৩৮ টি, বগুড়া সদরে ১২২ টি, গাবতলীতে ৭৩ টি এবং শাজাহানপুর উপজেলায় ৫০ টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
পূজা মন্ডপগুলোকে বাঁশ-শোলার দিয়ে সাজাতেও ব্যস্ত অন্য কারিগররা। মহিলা-পুরুষদের প্রতিমা দর্শন পৃথক পথ তৈরী করা হচ্ছে। এদিকে বিপনী বিতানগুলো নতুন জামা, শাড়ী , জুতা , স্যান্ডেল, পাঞ্জাবী কিনতে ভীড় জামাচ্ছেন সনাতন ধর্মালম্বীরা।

এ বিষয়ে বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী জানান, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে জেলায় দুর্গাপূজার এই উৎসবে আইন-শৃংখলা ঠিক রাখাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সশস্ত্র পুলিশ প্রহরা ছাড়াও সাদা পোষাকে পুলিশ নিয়োজত থাকবে। এ ছাড়া র‌্যাব, আর্মড পুলিশ ও মন্ডপে মন্ডপে আনসার ও পুলিশ মোতায়েন থাকবে। মন্ডপগুলোকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০