1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

মুরাদনগর উপজেলাতেই ১০৭ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ৬৮৯ বার দেখা হয়েছে

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা জেলার শুধুমাত্র মুরাদনগর উপজেলাতেই ২০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১০৭টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও মোট জনসংখ্যার শতভাগ প্রাইমারি শিক্ষা নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে কাজ করলেও সেদিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো।

উপজেলায় ২০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৬টিতে দীর্ঘদিন ধরে ১০৭টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য থাকার ফলে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে স্কুলে লেখাপড়ার মান ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যা মোট জনসংখ্যার শতভাগ শিক্ষার আওতায় আনার পথে অন্তরায়। বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফওজিয়া আক্তার এ বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়,উপজেলার ২০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ হাজার ৯৫ জন সহকারী শিক্ষকের পদ রয়েছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশই নারী শিক্ষক। এর মধ্যে উপজেলার ৫৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ এবং ৪৬টি বিদ্যালয়ের ১০৭ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অনেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ খালি থাকায় সহকারী শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলোর কোনো শিক্ষক (নারী-পুরুষ) যখন অসুস্থ হন কিংবা মাতৃত্বকালীন বা অন্য কোনো কারণে ছুটিতে থাকেন তখন দায়িত্বরতদের পাঠদানে হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থায় একজন শিক্ষককে একটানা চার-পাঁচটি ক্লাসে পাঠদান করতে হয়, অথবা কখনো কোনো একটি শ্রেণির পাঠদান বন্ধ থাকে। গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংকট রয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফওজিয়া আক্তার এ বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মৃত্যু, অবসরজনিত কারণ ও অনেক দিন থেকে পদোন্নতি কাজ বন্ধ থাকায় শূন্য পদ সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদের তালিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই সমস্য আর থাকবে না। আশা করি দ্রত এর সমাধান হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০