1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার এর সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে (সিপিবি)র মানববন্ধন দেবীদ্বারে ক্ষেতমজুর সমিতির সম্মেলনে লিল মিয়া সভাপতি ও রোবেল মিয়া সাধারণ সম্পাদক দেবিদ্বারে ভুল চিকিৎসা অপপ্রচার ব্যর্থ, সুস্থ মা ও নবজাতক ছাড়পত্র দিল হাসপাতাল দেবীদ্বারে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Coronavirus disease 2019 বগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মৃত্যুদণ্ড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা ক্যামব্রিজ ও লেভেলে সাত বিষয়ে এ প্লাস পেলেন সাফওয়ান হোসেন দেবীদ্বারে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দেবীদ্বারে ১৪ পলিব‍্যাগে মিলল বাড়ির মালিকের অর্ধশত টুকরা; মাথা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা

শেরপুরে সাঁপেকাটা রোগীকে কবিরাজের ঝাড়ফুঁক শেষে মৃত্যু

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
  • ৪২৬ বার দেখা হয়েছে

মিজানুর রহমান মিলন, বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সাপে কাঁটা মৃত ইছাহাক আলী মুংগিলাকে (৬০) কবরস্থানেই জীবিত করার চেষ্টা করছেন কবিরাজ।
সোমবার ( ২২ আগষ্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে সুঘাট ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সে উপজেলার বেলগাছি গ্রামের মৃত জহর আলীর ছেলে ইছাহাক আলী মুংগিলা।
জানা যায়, ইছাহাক আলী মুংগিলা গত ২১ আগস্ট রবিবার সন্ধ্যায় জমিতে পানি সেচ দিতে যায়। রাত ৮ টারদিকে তাকে সাপে কামড় দেয়। তখন সে ধুনট উপজেলার জালশুকা এলাকার ফজলার হোসেন কবিরাজের কাছে যায়। কবিরাজ ঝাড়ফুঁক দিয়ে পায়ে থাকা বাঁধন খুলে দেয় এবং বলে বিষ নেমে গেছে।
এরপর আত্মীয়-স্বজনকে চলে যেতে বলে রোগীকে এক ঘণ্টা পর ছেড়ে দেবে। প্রায় তিন ঘন্টা ঝাড়ফুঁক শেষে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে রোগীর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে কবিরাজ। রাত ১১ টায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে আত্মীয়-স্বজন তাকে বাড়িতে নিয়ে এসে সকাল আটটায় জানাজা শেষে কবরস্থানে দাফন দিতে যায়। এরপর কবিরাজের লোকজন এসে বলে রোগীকে বাঁচানো যাবে। একথা বলে কবর থেকে উঠিয়ে তাকে বাঁচানোর জন্য ঝাড় ফুঁক দিতে থাকে। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত কবিরাজ ঝাড় ফুঁক দিকে চেষ্টা করে তাকে আর বাঁচানো যাবে না বলে দাফন সম্পন্ন করে।
মৃত ইছাহাক আলীর শ্যালক সম্রাট সরকার জানান, কবিরাজ ঝাড়ফুঁক দিতে দিতেই অবস্থা বেগতিক হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে কবিরাজ পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে জানাজা শেষে অন্য আরেকটি কবিরাজ নিয়ে এসে বাঁচানোর চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
এ ব্যাপারে সুঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান জিন্নাহ বলেন, আমরা লাশের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য প্রদান করেছি এবং জানাযা শেষ করেছি। পরে জানলাম এক কবিরাজ নাকি মৃত ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করে না পেরে দাফন সম্পন্ন করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০